Sunday 31 August 2025


রাজ্য

মর্জিনার জীবন: যেখানে দারিদ্র্য চিৎকার করে, তবু স্বপ্ন মরে না।

2025-05-03

যে বয়সে হাতে বই-খাতা থাকা উচিত, সে বয়সে হাঁড়ি-পাতিল, কাপড় কাচা আর অসুস্থ বাবার দায়িত্ব কাঁধে নিয়ে প্রতিদিন নতুন করে বাঁচার চেষ্টা করে ছোট্ট মেয়েটি—মর্জিনা খাতুন। দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার কুমারগঞ্জ ব্লকের মোহনা পঞ্চায়েতের গয়েশপুর গ্রামে জন্ম নেওয়া মর্জিনার জীবন যেন একটি মর্মান্তিক বাস্তবতার কাহিনি। বর্তমানে সে গোপালগঞ্জ রঘুনাথ উচ্চ বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী। তার এক সমবয়সী ভাই স্থানীয় একটি মাদ্রাসায় পড়াশোনা করে। তবে মর্জিনার পরিবারের পরিস্থিতি যে কোনও সাধারণ পরিবারের চেয়ে অনেক বেশি জটিল। বাবা মকসেদুল মন্ডোল মন্ডোল প্যারালাইসিসে আক্রান্ত, সম্পূর্ণ শয্যাশায়ী না হলেও কাজকর্মে পুরোপুরি অক্ষম। মা মানসিক ভারসাম্যহীন এবং বেশিরভাগ সময়ই বাড়ির বাইরে বাইরে ঘুরে বেড়ান। সংসারে নেই কোনো স্থায়ী উপার্জনের উৎস। কোনোরকমে ভিক্ষা করে আর স্থানীয় কিছু মানুষের দয়া-সহানুভূতির ওপর নির্ভর করেই চলছে তিনজনের জীবন। তাদের বাসস্থানটি এতটাই জরাজীর্ণ ও অব্যবস্থাপূর্ণ যে সেটিকে বাসযোগ্য বলা কঠিন। বৃষ্টির দিনে ছাদ চুইয়ে পড়ে জল, বাড়ির আনাচে-কানাচেতে মাঝেমধ্যে দেখা যায় বিষধর সাপ। নেই কোন বিদ্যুৎ সংযোগ। শুধু তাই নয়, বাড়ির এমন অবস্থা যে কোনও গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র রাখারও কোনও সুরক্ষিত জায়গা নেই। সবকিছু যেন এক অনিশ্চয়তা ও শঙ্কার মাঝে ডুবে থাকা জীবন। এই অবস্থাতেই মর্জিনার প্রতিদিন শুরু হয়, সকালে রান্না করে বাবাকে স্নান করিয়ে খাইয়ে সেবা যত্ন করে এবং ঘরের কাজ শেষ করে সে স্কুলে যায়। মর্জিনা পড়াশোনায় হয়তো খুব উজ্জ্বল নয়, কিন্তু তার আগ্রহ ও নিষ্ঠা প্রশ্নাতীত। স্কুলের শিক্ষকরা জানান, "ওর মতো মেয়ে আজকের দিনে দুর্লভ। এত কষ্টের মধ্যেও পড়াশোনার প্রতি ওর টান আমাদের অভিভূত করে। ও যদি একটু সহায়তা পায়, ভবিষ্যতে অনেক কিছু করতে পারে।" গ্রামের কিছু সহৃদয় মানুষ মাঝে মাঝে খাবার, পুরনো জামাকাপড় বা কিছু অর্থ দিয়ে সহায়তা করেন। কিন্তু তা স্থায়ী নয়। মর্জিনার মতো শিশুরা সরকারি সাহায্য, সমাজের সচেতন শ্রেণির সহানুভূতি ও সংহতির অপেক্ষায় দিন গোনে। স্কুলে যাওয়া থেকে শুরু করে জীবনধারণের ন্যূনতম চাহিদা—সবই এখানে সংগ্রামের সমার্থক। এই পরিবারটির কথা জানার পর স্থানীয় প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ হওয়া জরুরি। সরকারি সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্প যেমন — ‘আবাস যোজনা’, ‘প্রতিবন্ধী ভাতা’ ‘অন্ত্যোদয় অন্ন যোজনা’ ইত্যাদি প্রকল্পের আওতায় এনে মর্জিনাদের জীবন কিছুটা হলেও সহজ করা সম্ভব। মর্জিনার জীবন একটি প্রশ্নচিহ্ন হয়ে দাঁড়িয়ে আছে সমাজের সামনে—একটি শিশু কতটা দুঃখ সহ্য করে বড় হতে পারে? সেই প্রশ্নের জবাব আমাদেরই দিতে হবে, আজ না হোক কাল। কারণ, এই শিশুটির স্বপ্ন হারিয়ে গেলে শুধু একটিই জীবন নয়, হেরে যায় একটি সম্ভাব্য ভবিষ্যৎ, হারে যায় সমাজ। এই বিষয়ে মোহনা পঞ্চায়েত এর প্রধান সুনীল সরকার সরকার কে প্রশ্ন করলে,তিনি যানান,মকসেদুল তার সাহায্যের বিষয়ে কোন আবেদন যানান নি,তবে এক গ্রাম বাসী যানান মকসেদুল মন্ডোল বহুবার সেখানকার বিধায়ক তরাপ হোসেন মন্ডোল কে যানিয়েও কোন লাভ হয়নি।।।

দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা জুড়ে অবৈধভাবে চলছে গ্যাস রিফিলিং

2025-04-19

দক্ষিণ দিনাজপুর :কার্যত প্রশাসনকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার বিভিন্ন জায়গায় অলিগলিতে মুড়ি মুড়কির ন্যায় অনিয়ন্ত্রিত উপায়ে অবৈধভাবে চলছে গ্যাস রিফিলিংয়ের কাজ । পাড়ার মুদির দোকান ও অনেক বসতবাড়িতে অনিয়ন্ত্রীতভাবে গ্যাস ভর্তির কাজ হচ্ছে। এইসব পাড়া বা দোকানের সামনে দিয়ে গেলে গ্যাসের তীব্র গন্ধ সবসময় পাওয়া যায় । তা থেকে যখন তখন ঘটতে পারে মারাত্মক ও ভয়াবহ ঘটনা। তাছাড়া একটি বিশেষ সূত্রে জানা গিয়েছে, এই অসাধু ব্যবসায়ীরা গ্যাস খোলা বাজারে ১৫০ থেকে ২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করে । নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক গ্যাস ব্যবসায়ী বলেন, ‘বাজারে এই গ্যাসের চাহিদা প্রচুর । আমাদের দোষ দিয়ে লাভ কি, খরিদ্দার চায় তাই আমরা বিক্রি করি। বাড়ির গ্যাস শেষ হয়ে গেলে অনেক সময় বুকিং করে পাওয়া যায় না, তখন তারা বাজারের এই খোলা গ্যাসের উপর নির্ভরশীল। জানি কাজটা অবৈধ ও মারাত্মক কিন্তু কি করবো পেট চালাতে হবেতো।’ প্রসঙ্গত, জেলার সদর শহর বালুরঘাট সহ বুনিয়াদপুর ও গঙ্গারামপুরের বিভিন্ন পাড়ার দোকান বা রাস্তার ধারে বিভিন্ন জায়গায় দোকান গুলিতে উঁকি দিলেই দেখতে পাওয়া যায় গ্যাস ভর্তির কাজ চলছে। এসবকিছুই প্রশাসনের নাকের ডগায় ঘটছে । তবুও তাদের এব্যাপারে কোনও হেলদোল নেই। নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করছে প্রশাসন । এই বিষয়ে এক পরিবেশবিদ ও সাহিত্যিক দিলীপ তালুকদার বলেন, ‘অনিয়ন্ত্রীত ও অবৈধভাবে গ্যাস ভর্তির কাজটা যেমন খুব ঝুঁকির তেমনি এটা বেআইনি কাজও বটে । জানিনা প্রশাসন সব জেনেও চুপ কেন ? অতি স্বত্তর বেআইনি গ্যাস ভর্তির কাজগুলিকে প্রশাসনের বন্ধ করা দরকার। এটাও ঠিক যারা একাজ করছেন তারা শুধুমাত্র পেটের দায়ে করছেন । বাজারের জিনিষের দাম অগ্নিমূল্য হওয়াতে সংসার চালাতে হিমশিম খাচ্ছেন অনেকেই, তাই তারা অধিক মুনাফা লাভের আশায় এই কাজ করছেন। আসলে সর্বোপরি সরকারকে অর্থনৈতীক ব্যবস্থা ও দ্রব্যমুল্যের সঠিক ভাবে নিয়ত্রণ করা দরকার।’

ইন্টারনেটের যুগে হারিয়ে যাচ্ছে গ্রাম বাংলার সিনেমা হলগুলি

2025-04-18

দক্ষিণ দিনাজপুর: ডিজিটাল জেনারেশানের সবচেয়ে শক্তিশালী মাধ্যম ইন্টারনেটের প্রভাবে বর্তমানে হারিয়ে যাচ্ছে প্রাচীন বিনোদনের একমাত্র মাধ্যম সিনেমা হল। সারা রাজ্যের পাশাপাশি দক্ষিন দিনাজপুর জেলাতেও বহু সিনেমা হল বন্ধ হয়ে গেছে। আবার কোন কোন সিনেমা হল খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে চলছে এখন। এমন কিছু সিনেমা হল এর সন্ধানে বেরিয়ে ধরা পড়লো কিছু ছবি।দর্শক না থাকার দরুন দিনের পর দিন লোকসানে পড়া বিভিন্ন সিনেমাহলের মালিক কর্তৃপক্ষ। এক এক করে বহু পুরাতন সিনেমাহল গুলি বন্ধ করতে বাধ্য হচ্ছেন। ফলে বছরের পর বছর সিনেমা হলের বহু কর্মী কাজ হারিয়ে অন্য পেশায় চলে গিয়েছেন। দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার বালুরঘাট ও গঙ্গারামপুর সহ বুনিয়াদপুরে ছিল অনেক সিনেমা হল। সে আজ থেকে বছর দশেক আগেকার কথা। ওই সময় এইসব সিনেমা হল গুলিতে রমরমা বাজার ছিল। সারাদিন কাজের পর সিনেমা হলে গিয়ে সিনেমা দেখার মজাটাই ছিল আলাদা। আর এইসব সিনেমা হল গুলিতে বহু কর্মী কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করতেন। কিন্তু সে সব এখন ইতিহাস। সময়ের সাথে বদলাচ্ছে বর্তমান পরিস্থিতি। হলে গিয়ে সিনেমা দেখার জায়গাটা আজ করে নিয়েছে সিরিয়াল। ইন্টারনেটের যুগে সিনেমা হলে গিয়ে টানা তিন ঘন্টা এক জায়গায় বসে সময় নষ্ট করার পাশাপাশি পয়সা খরচ না করে ইন্টারনেটের মাধ্যমেই ঘরে বসে পছন্দ অনুযায়ী সিনেমা দেখার জন্য আজ আর সিনেমা হলে দর্শক পাওয়া যায় না। তাই বছরের পর বছর লোকসান হতে হতে আজ এইসব এলাকার বহু সিনেমা হল গুলি বন্ধ করতে বাধ্য হয়েছেন হলের মালিক কর্তৃপক্ষ। তার বদলে সেই সিনেমা হল গুলি পরিণত হয়েছে গুদামে। আর জেলার কয়েকটি এলাকার সিনেমা হলগুলি দর্শক না হওয়ায় টিপটিপ করে লন্ঠনের আলোর মতো চলছে। বুনিয়াদপুরের এক বিনোদন প্রেমী বিশ্বপ্রীয় সাহা দুঃখের সাথে জানান, আগে প্রচুর মানুষ সিনেমা হলে আসতো সিনেমা দেখতে কিন্তু এখন আর আসে না তার কারণ একটাই এখন ভালো কোনো সিনেমা তৈরি হচ্ছে না সমস্ত তাই হচ্ছে শহরকেন্দ্রিক। তাই গ্রাম বাংলার মানুষরা এই সিনেমা দেখতে আর আসছে না সিনেমা হলে। এর পাশাপাশি হাতের মুঠোয় ইন্টারনেট মোবাইল এবং ইউটিউব চলে আসায় নিত্যনতুন সিনেমাটা তারা পেয়ে যাচ্ছে সঙ্গে সঙ্গে তাই আর তাদের আসতে হচ্ছে না সিনেমা হলে ফলে আজ সিনেমা হল গুলি ঢুকতে বসেছে। আগামীতে লাভের মুখ না দেখতে পেলে সিনেমা হল গুলি বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন হল মালিকের একাংশ। অপরদিকে জেলার বুনিয়াদপুরের একটি ঐতিহ্যবাহী গৌরী সিনেমা হলের মালিক ফান্টু সেন জানান কতদিন তারা আর লোকসানে বিনোদন দিবেন মানুষকে নিজেদের ঘরের পয়সা ঢেলে। কারণ একটা সিনেমা আনতে যেমন প্রচুর খরচ সাপেক্ষ তেমনি সারা মাসে সিনেমা চালিয়ে তার সিকিভাগও লাভ উঠে আসে না। তাই বাধ্য হয়ে সিনেমা হল তারা বন্ধ করে দিয়েছে কিন্তু কিছুই করার নেই প্রচুর মানুষ বেকার হয়ে গেছে এখন সেই সিনেমা হলে মালপত্র রাখা হয়। অপরদিকে জেলার এক উঠতি যুবক শান্তনু ঘোষ জানান, একটা সময় তারা বাড়ির সকলে মিলে এসে সিনেমা হল গুলিতে সিনেমা দেখতে আসতো কত মজা হত কিন্তু আজ সেই মজা নেই কারণ এখন সেই সিনেমা হল গুলি আগের অবস্থায় নেই। পাশাপাশি হাতের মুঠোয় এখন ইন্টারনেট মোবাইল চলে আসায় এখন সব সিনেমায় সঙ্গে সঙ্গে মানুষ দেখে ফেলছে ফলে সিনেমা মুখী হওয়ার প্রবণতা কমে গেছে মানুষের মধ্যে। এটা খুবই দুঃখজনক ঘটনা। অপরদিকে বর্তমানে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে চলছে জেলার বুনিয়াদপুর গৌরী সিনেমা হলের পাশে দীর্ঘদিন ধরে পান বিড়ি সিগারেটের দোকানদার নিতাই সরকার জানালেন তিনি দীর্ঘ ২০ বছর ধরে এই সিনেমা হলের পাশে দোকান করছেন একটা সময় প্রচুর মানুষ সিনেমা দেখতে আসতো তার চোখে দেখা হিমশিম খেতে হত মানুষকে লম্বা লাইনে টিকিট কাটার ধুম ছিল আলাদাই কিন্তু আজ সেই সব হারিয়ে গেছে এখন হাতে গোনা মাত্র কয়েকজন দর্শক ভীড় জমান সিনেমা হলে।একটা সময় নির্জন জায়গায় টানা তিন ঘন্টা সকলের অজান্তেই প্রেমিক – প্রেমিকাদের উৎসাহ যোগাতে নির্জন জায়গায় টানা তিন ঘন্টা নিরিবিলি তে প্রেমিক যুগল সিনেমা দেখার জন্য বক্সের ভাড়া ছিল আকাশ ছোঁয়া। এইভাবে লোকসান ঠেকাচ্ছিলেন হল কর্তৃপক্ষরা। কিন্তু সেখানেও বাধা দিল পুলিশ। ইতিমধ্যে বিভিন্ন সিনেমা হল গুলির ওইসব বক্সে রেট করে আপত্তিকর অবস্থায় ধরা পড়েছে অনেক প্রেমিক প্রেমিকাও। সব মিলেয়ে বর্তমানে সিনেমা হল গুলি এখন ধুঁকছে ।

জগদ্দল বিধানসভার বিধায়ক সোমনাথ শ্যামের সহযোগিতায় ৩২ তম বর্ষে পদার্পণ করল শ্রী শ্রী শান্তি হরিচাঁদ মন্দির বাৎসরিক উৎসব।

2025-03-13

মতুয়া সংঘাধিপতি ও রাজ্যসভায় সাংসদ মমতা বালা ঠাকুরের নির্দেশে এবং জগদ্দল বিধানসভার বিধায়ক সোমনাথ শ্যামের সহযোগিতায় ৩২ তম বর্ষে পদার্পণ করল শ্রী শ্রী শান্তি হরিচাঁদ মন্দির বাৎসরিক উৎসব। উৎসবের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্যারাকপুর লোকসভা সাংসদ পার্থ ভৌমিক জগদ্দল বিধানসভা বিধায়ক সোমনাথ শ্যাম বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মুক্তি ফাউন্ডেশনে কর্ণধার পায়েল ঘোষ (বড়ুয়া), জগদ্দল থানার আইসি মহাবীর বেরা সহ তৃণমূল কংগ্রেসের একাধিক জনপ্রতিনিধি ও নেতৃত্ববৃন্দ। সমগ্র অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন মতুয়া ধর্ম প্রচারক নান্টু হালদার। এছাড়া এই অনুষ্ঠানে বিভিন্ন জেলা থেকে আগত প্রায়ই শতাধিক পাগল ঘোষাই দলপতিবৃন্দ।

বিশ্ব কিডনি দিবস উদযাপন

2025-03-13

সমীর দাস:--কলকাতার অন্যতম নেফ্রোলজিস্ট ডাঃ প্রতীক দাস ২০০৫ সাল থেকেই কিডনি প্রতিস্থাপন শুরু করেন। এখন পর্যন্ত অন্তত ২৫০০ কিনডি তিনি সাফল্যর সঙ্গে প্রতিস্থাপন করেছেন। তিনি কলকাতা কিডনি ইনস্টিটিউটের পরিচালক ও অন্যতম শিক্ষক। বিশ্ব কিডনি দিবসের দিনে ডাঃ প্রতীক দাস ও কলকাতা কিডনি ইনস্টিটিউট উদ্যোগে কিডনি সচেতনতা র‌্যালি হয়। র‍্যালিতে 100 জন প্রতিস্থাপন রোগীর অংশগ্রহণ করেন। কিডনি প্রতিস্থাপনের পর কীভাবে তারা স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারে ডাঃ প্রতীক দাস বিস্তারিত বিশ্লেষণ করেন।

অষ্টম সমাজকল্যাণ রত্ন সম্মান ২০২৫

2025-03-12

অষ্টম সমাজকল্যান রত্ন সম্মান-২০২5 সমীর দাস কলকাতা:--কলকাতা প্রেসক্লাবে আরম্ভরের সঙ্গে হয়ে গেল অষ্টম সমাজকল্যাণ রত্ন সম্মান -২০২৫ রিপোর্টারস এন্ড ফটোগ্রাফার অ্যাসোসিয়েশন ও ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ জার্নালিস্ট এর যৌথ উদ্যোগে সম্মান প্রদান অনুষ্ঠান সুসম্পন্ন হয়। গান গেয়ে অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা করেন পণ্ডিত মল্লার ঘোষ। এই অনুষ্ঠানে মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন মেয়র পরিষদের সদস্য স্বপন সমাদ্দার, এই সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা ও সম্পাদক অনুপ কুমার বর্ধন, সাংস্কৃতিক সম্পাদক মৌসুমী বর্ধন ও আহ্বায়ক অপর্ণা দে। অমৃত বার্তা পূজা বার্ষিকী উদ্বোধনের পর মূল অনুষ্ঠানে সম্মান প্রদান শুরু হয়। এবারে মোট নয় জনকে সমাজকল্যাণ রত্ন প্রদান করা হয়। তার হলেন যথাক্রমে বি. এল.সঞ্জয় তাওয়ার, রামানন্দ আগরওয়াল, অলক ফাউন্ডেশান সংগঠন, তুষার পাটওয়ারি, রাজদীপ দাস, স্বপন সমাদ্দার, ড. অনিরূদ্ধ পাল, মল্লার ঘোষ, কে.কে. সিঙ্গানিয়া। তাছাড়া অনুষ্ঠানে যারা উপস্থিত ছিলেন তারা হলেন হলেন আকাশ চ্যাটার্জী, তারক ধর, স্বপন জানা ,সমীর দাস সহ আরো অনেকে। সমগ্র অনুষ্ঠানটি পরিকল্পনায় ও পরিচালনায় ছিলেন সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা ও সম্পাদক অনুপ কুমার ও সহযোগিতায় ছিলে সাংস্কৃতিক সম্পাদক মৌসুমী বর্ধন।

হিলিতে বাংলাদেশি সহ তিনজন গ্রেফতার, ভুয়ো নথি তৈরির অভিযোগ

2025-03-06

জয়দীপ মৈত্র: দক্ষিণ দিনাজপুর: বড় সাফল্য পেল দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা পুলিশ in। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে হিলি থানার ত্রিমোহিনী এলাকা থেকে এক বাংলাদেশি নাগরিক সহ তিনজনকে গ্রেফতার করল পুলিশ। অভিযোগ, শ্যাম কুমার সাহা নামে এক বাংলাদেশি নাগরিক অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করে বসবাস করছিলেন। তাকে আশ্রয় দেওয়ার অভিযোগে অমৃত দাস নামে এক ভারতীয় নাগরিককেও গ্রেফতার করা হয়েছে। এছাড়া, ভুয়ো প্যান কার্ড, আধার কার্ড ও ভারতীয় ব্যাংকের পাসবুক তৈরি করে দেওয়ার অভিযোগে কিসমত দাপট এলাকার বাসিন্দা অলক পালকেও আটক করেছে পুলিশ। ডিএসপি হেডকোয়ার্টার বিক্রম প্রসাদ এক সাংবাদিক সম্মেলনে জানান, ধৃতদের আদালতে পেশ করা হবে। পুলিশের পক্ষ থেকে তদন্ত শুরু হয়েছে।

নাবালিকা শ্লীলতাহানির প্রতিবাদে ডেপুটেশন ও বিক্ষোভ মিছিল।

2025-03-03

নিজস্ব প্রতিনিধি: উত্তর ২৪ পরগণার হাড়োয়া গ্রামীণ হাসপাতালের ভেতরে গত ২৮শে ফেব্রুয়ারি, রবিবার, এক নাবালিকাকে শ্লীলতাহানি করার প্রতিবাদে গতকাল আইএসএফ ঐ হাসপাতালের সামনে বিক্ষোভ দেখায়। পরে হাড়োয়া থানায় দলের পক্ষ থেকে একটি ডেপুটেশন জমা দেওয়া হয়। ডেপুটেশনে এই বর্বরোচিত ঘটনার পূর্নাঙ্গ তদন্তের দাবি জানানো হয়। পাশাপাশি, রোগীদের নিরাপত্তা ও সুরক্ষার পর্যাপ্ত ব্যবস্থা, হাসপাতালের ভেতরে অসামাজিক কার্যকলাপ বন্ধ ও পর্যাপ্ত ডাক্তারের সুবন্দোবস্ত করার দাবি জানানো হয়। এই বিক্ষোভের নেতৃত্বে ছিলেন অ্যাডভোকেট পিয়ারুল ইসলাম ও আয়েশা খাতুন সহ হাড়োয়া অঞ্চলের দলীয় নেতৃবৃন্দ।

মহিলাদের স্বশক্তিকরণ করার লক্ষ্যে ওয়ার্ল্ড ট্র্যাডিশনাল শোতোকান ক্যারাটে ফেডারেশনের দক্ষিণ দিনাজপুর শাখার উদ্যোগে সকল বয়সী মহিলাদের জন্য বিনামূল্যে ক্যারাটে প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে :-

2025-03-03

জয়দীপ মৈত্র, দক্ষিণ দিনাজপুর: বর্তমান সময়ে নারী ও তাদের সুরক্ষা ভীষণ ভাবে সারা ভারতবর্ষ তথা এই রাজ্যে বিরাট প্রশ্নের মুখে । ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে শিশু কন্যার পাশাপাশি যে কোন বয়সের নারীদের সাথে স্কুল, কলেজ , বিশ্ববিদ্যালয়, হাসপাতাল, স্বাস্থ্যকেন্দ্র, চাকুরিস্থল, এমন কি তার পারিবারিক বৃত্তের মধ্যেও যৌণ নির্যাতন, ধর্ষণ, গণ ধর্ষণ ও খুন ঘটে চলেছে। এটা সারা ভারতবর্ষ জুড়েই ঘটে চলেছে গত কয়েক মাস আগে এই রাজ্যে "আর জি কর কান্ড" অতি ভয়ঙ্কর ভাবে এক তরুণী ডাক্তার কে ধর্ষণ করে মেরে ফেলা হয়েছে, যার ফলে সারা রাজ্য তথা দেশ জুড়ে অভুতপূর্ব গণ আন্দোলন সংঘবদ্ধ হয়েছে, চারিদিকে হাজার হাজার ডাক্তার,নারী, পুরুষ, শিশু, বালক, বালিকা , কিশোর, কিশোরী রাস্তায় নেমেছে। তাই সমাজের মহিলাদের স্বশক্তিকরণ করার লক্ষ্যে ওয়ার্ল্ড ট্র্যাডিশনাল শোতোকান ক্যারাটে ফেডারেশনের ( নর্থ বেঙ্গল ) ,দক্ষিণ দিনাজপুর শাখার প্রধান - প্রশিক্ষক শংকর কুমার মন্ডল এর পক্ষ থেকে সমাজের সর্বস্তরের মহিলাদের নিয়ে দুর্গা বাহিনী গড়ে তুলেছেন বালুরঘাট টাউন ক্লাব ময়দানে । বর্তমানে প্রতি রবিবার করে বিকেলে চারটে থেকে সাড়ে ছয়টা পর্যন্ত ২০০ এর বেশি সকল বয়সী মহিলাকে আগামী পাঁচ বছরের জন্য সম্পূর্ণ বিনামূল্যে ক্যারাটে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার গোপালগঞ্জে রাজীব গান্ধী যুব কম্পিউটার প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের দোতলায় প্রতি বৃহস্পতিবার বিকেল পাঁচটা থেকে সাতটা পর্যন্ত এবং প্রতি রবিবার সকাল আটটা থেকে এগারোটা পর্যন্ত সকল বয়সী মহিলাদের নাম নথিভুক্ত সম্পূর্ণ বিনামূল্যে করা হচ্ছে । আগামী পাঁচ বছরের প্রশিক্ষণ এর জন্য প্রবেশ মূল্য ফ্রি করা হয়েছে ক্যারাটে প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে। শিহান শংকর কুমার মন্ডল ডিরেক্টর অ্যান্ড চিফ ইন্সট্রাক্টর ওয়ার্ল্ড ট্র্যাডিশনাল শোতোকান ক্যারাটে ফেডারেশন ( নর্থ বেঙ্গল ) মহিলাদের স্বশক্তিকরণ করার লক্ষ্যে সমাজের সকল বয়সী মহিলাদের এই দুর্গা বাহিনীতে অংশগ্রহণ করার জন্য আহ্বান করেছেন।

৩০০ বছরের চঞ্চলা কালী মায়ের পুজোর প্রস্তুতি চলছে জোবালুরঘাটেড়কদমে

2025-02-22

জয়দীপ মৈত্র: ২২শে ফেব্রুয়ারী, দক্ষিণ দিনাজপুর: দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার সদর শহর বালুরঘাট হোসেনপুরের কাছে চকবাখর গ্রামে চঞ্চলা কালী মায়ের পুজোর প্রস্তুতি শুরু হয়েছে জোড়কদমে। আগামী ১৫ই মার্চ শনিবার গভীর রাতে চঞ্চলা কালী মায়ের পুজো অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিবারের ন্যায় এবারেও বালুরঘাটে চঞ্চলা কালী মায়ের পুজো উপলক্ষ্যে ১৫ই মার্চ শনিবার থেকে ১৭ই মার্চ সোমবার পর্যন্ত তিনদিনব্যাপী মেলা অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিবার দোল পূর্ণিমার প্রতিপদে সাড়ে দশ হাত এই চঞ্চলা কালীর পুজো অনুষ্ঠিত হয়। এই কালীর পায়ের নীচে শিব নেই। আছে অসুর ও সিংহ। তাছাড়াও এই কালী মাতার হাত মোট আটটি। প্রায় তিনশো বছরের পুরনো এই পুজোয় শুধু দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার নয়, বিহার, ঝাড়খণ্ড-সহ ভিনরাজ্যের ভক্তরাও উপস্থিত হন। এদিকে এই পুজো ও মেলাকে কেন্দ্র করে যাতে কোন রকম অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে তার জন্য বিশাল পুলিশ মোতায়েন করা হয়। বালুরঘাট শহরের অদূরে ডাঙ্গা গ্রাম পঞ্চায়েতের হোসেনপুরের কাছে চকবাখর গ্রাম। প্রতি বছর এখানে দোলপূর্ণিমার পরের দিন অর্থাৎ প্রতিপদের গভীর রাতে চঞ্চলা কালীর পুজো হয়। চিরাচরিত কালীর পায়ের নীচে শিবের দেখা মিললেও, এই কালীর পায়ের নীচে অসুর রয়েছে। পাশাপাশি, অন্য পায়ের নীচে আছে সিংহ। বলা হয়, মহামায়া ও চামুণ্ডার এক রূপ এই চঞ্চলা কালী মাতা। আনুমানিক ৩০০ বছর আগে ওই এলাকায় চঞ্চলা কালীর পুজো শুরু হয়। কথিত আছে, ওই মন্দির এলাকা থেকে কিছু অলৌকিক নিদর্শন খুঁজে পাওয়া গিয়েছিল। তখন মাহিনগর এলাকার মহি রাজা এই পুজোর প্রচলন করেন। মাহিনগর থেকে সুরঙ্গ পথে চকবাখরে এসেছিলেন। তিনি মারা যাওয়ার পর এই পুজো দীর্ঘদিন বন্ধ ছিল। পরবর্তীতে এলাকার কেরালু বর্মন নামে এক বাসিন্দা স্বপ্নাদেশ পেয়ে আবার পুজোর সূচনা করেন। এই পুজোর আর্থিক সহযোগিতা করত স্থানীয় জমিদার সুধীর চৌধুরী। প্রথমে মাটির মন্দির। তারপরে টিনের ও পরে পাকা মন্দির তৈরি হয়েছে। যদিও এখনও সেই মন্দির নির্মাণের কাজ চলছে। একজন ব্রাহ্মণ পুরোহিত বার্ষিক পুজো করেন। প্রতি অমাবস্যায় ও পূর্ণিমায় চঞ্চলার পূজা অন্য একজন পুরোহিত করেন। পুজো উপলক্ষে প্রায় ৩০০ জন ভক্ত হন। প্রত্যেকে পৈতে ধারণ করেন। চঞ্চলা কালীর মন্দিরের পাশেই রয়েছে শ্মশান কালী ও মাশান কালীর মন্দির। মা চঞ্চলার পুজোর পরের দিন শ্মশান কালী ও মাশান কালী তন্ত্রমতে ভক্তিভরে পূজিত হন। মন্দিরের সামনে রয়েছে নাটমন্দির, যেখানে পুজোর পরে দুদিন রাতভর মঙ্গলচন্ডীর গান শোনানো হয়। তার সামনে রয়েছে একটি পুকুর। জনশ্রুতি রয়েছে, এই পুকুর থেকে একসময় পুজোর কাজের জন্য থালা-বাসন ভেসে উঠত। বর্তমানে এই পুকুরের জল দিয়ে মায়ের পুজো করা হয়। পুজোর পাঁচ দিন আগে ঘট বসে মন্দিরে। এখানে পাঁঠা, পায়রা, চুল বলির প্রথা রয়েছে। বলির জন্য কাঠের কাতরা এই পুকুরেই বছরভর ডোবানো থাকে। পুজোর দিন বিকেলে তা তোলা হয়। তবে এই বলি শুধু কমিটির তরফ থেকেই হয়। পুজো উপলক্ষ্যে তিন দিনের মেলা বসে। ভক্তদের লোক ক্রিড়া এই পুজোর আকর্ষণের অন্যতম কেন্দ্রবিন্দু। একটি বড় কাঠের পাটাতনে পুঁতে রাখা পেরেক ও খর্গের উপর ভক্তরা শিব কালী সেজে নাচ করেন। বিভিন্ন লোকবাদ্য যেমন ঢাক, ঢোল, কাঁসর ব্যবহৃত হয়। লোকনৃত্যের অঙ্গ মুখা নাচ ও অস্ত্র নিয়ে খেলার রীতি রয়েছে। যা লোকসংস্কৃতির একটি তাৎপর্যপূর্ণ দিক। প্রায় ২৫ জন ভক্ত এই নাচ ও খেলা দেখান। এবিষয়ে জমিদার বাড়ির বর্তমান প্রজন্মের বংশধর তথা পুজো কমিটির সভাপতি সুপ্রিয় কুমার চৌধুরী জানিয়েছেন - সঠিকভাবে বলা না গেলেও প্রায় তিনশো বছর আগে এই পুজোর শুভ সূচনা হয়। তবে মাঝে বেশ কিছুদিন এই পুজো বন্ধ ছিল। এলাকার কেরালু বর্মন নামে এক বাসিন্দা স্বপ্নাদেশ পেয়ে দ্বিতীয় বারের জন্য এই পুজোর সূচনা করেন। দোল পূর্ণিমার প্রতিপদেই তিনশো বছরের বেশী সময় ধরে এই মা পূজিত হয়ে আসছেন। মায়ের পায়ের নীচে শিব নেই, রয়েছে অসুর। নতুন করে মন্দির তৈরি করা হচ্ছে। আগামীতে ইচ্ছে রয়েছে এখানে প্রতিদিন পুজো করার পাশাপাশি এটিকে দর্শনীয় স্থান হিসেবে গড়ে তোলার। পুজোকে কেন্দ্র করে বসে মেলা। মোট তিন দিন চলে এই পুজো ও মেলা।

কেওয়াইসি-র ফাঁদ! প্রতারকদের হাতে ৮১ হাজার টাকা খোগ্যাসয়ালেন কেবল ব্যবসায়ী

2025-02-22

জয়দীপ মৈত্র : ২২শে ফেব্রুয়ারী,দক্ষিণ দিনাজপুর: গ্যাস সংস্থার নামে ফোন করে কেওয়াইসি আপডেটের অছিলায় এক কেবল ব্যবসায়ীর ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে উধাও ৮১ হাজার ৯৭ টাকা! প্রতারণার শিকার হওয়া ওই ব্যবসায়ীর নাম সঞ্জয় কুমার বিশ্বাস, যিনি দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার গঙ্গারামপুর থানার ঠেঙ্গাপাড়ার বাসিন্দা। ইতিমধ্যেই তিনি দক্ষিণ দিনাজপুর সাইবার ক্রাইম থানায় অভিযোগ জানান। জানা গেছে, এদিন সকালে এক ব্যক্তি গ্যাস ডিস্ট্রিবিউটর এজেন্সির কর্মী পরিচয় দিয়ে তাকে ফোন করে। বলা হয়, বহুদিন ধরে তার গ্যাসের সাবসিডির টাকা ঢুকছে না, তাই কেওয়াইসি আপডেট করতে হবে। প্রতারকরা কিছু নথি হোয়াটসঅ্যাপে পাঠানোর নির্দেশ দেয়। সঞ্জয়বাবু নির্দিষ্ট নথিগুলি পাঠানোর কিছুক্ষণের মধ্যেই তার দুটি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে ৮১ হাজার টাকা তুলে নেয় প্রতারকরা। চিকিৎসার জন্য জমানো টাকা খোয়া যাওয়ায় তিনি অসহায় হয়ে পড়েছেন। ইতিমধ্যেই পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।

বীরভূমের পুরন্দরপুরে ইউফোরিয়া যুব গোষ্ঠীর উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হলো বিনামূল্যে রক্ত পরীক্ষা শিবির।

2025-02-04

বীরভূমের পুরন্দরপুরে ইউফোরিয়া যুব গোষ্ঠীর উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হলো বিনামূল্যে রক্ত পরীক্ষা শিবির। কলকাতার Health view Digonastic এর সহযোগিতায় এই রক্ত পরিক্ষা শিবিরে উপস্থিত ছিলেন সৈকত ঘোষ,রামকৃষ্ণ দাস এবং এর মতো বিশিষ্ট টেকনিশিয়ান রা । প্রায় জন মতো এই শিবিরে রক্ত পরীক্ষা করান। এই ক্লাবের সদস্যরা জানিয়েছেন যে বিগত বছরগুলিতে তাঁরা বিভিন্ন ধরনের সামাজিক কাজকর্ম চালিয়ে আসছেন, এবছরে তারা রক্ত পরীক্ষা শিবিরের আয়োজন করেছেন। পরবর্তীকালে তাঁরা আরো বড় কোনো সামাজিক কাজকর্ম করতে চলেছেন এমনটাই ইঙ্গিত পওয়া যাচ্ছে ইউফোরিয়া যুব গোষ্ঠীর পক্ষ থেকে। ক্লাবের এই ধরনের উদ্যোগ কে সাধুবাদ জানিয়েছে পুরন্দরপুরের বাসিন্দারা।

বংশপরম্পরায় আজও প্রাকৃতিক নিয়মে চুন প্রস্তুত করছেন তামলিরা

2025-02-04

জয়দীপ মৈত্র,দক্ষিণ দিনাজপুর: দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার ব্যাবসার প্রতিষ্ঠিত শহর গঙ্গারামপুর শহরের ১নং ওয়ার্ডের কাদিঘাট এলাকায় দীর্ঘ ১০০ বছরের বেশি সময় ধরে বংশপরম্পরায় প্রাকৃতিক উপায়ে ঝিনুক থেকে চুন প্রস্তুত করছেন তামলি সম্প্রদায়ের ৫ পরিবারের সদস্যরা । এই সদস্যদের চুন তৈরি করে রুজিরোজগার হয় । এই তামলি সম্প্রদায়ের ৫ পরিবারের সদস্যরা ১৫-২০ হাজার টাকা আয় করলেও গ্রাম থেকে ঝিনুক সংগ্রহ করতে যে পরিমাণ টাকা খরচ হয় তাতেই তাদের প্রায় সব চলে যায়। গ্রাম থেকে ২০০ টাকা করে ঝিনুক কিনে বাড়িতে নিয়ে এসে চুন প্রস্তুত করে ৩ টাকা প্যাকেট হিসেবে বিক্রি করা হয় । এই বিষয়ে চুন প্রস্তুতকারী বিজয় তামলি ও বিমল তামলি জানান, প্রাকৃতিক ভাবে এই চুন প্রস্তুত করা এবং নানান গ্রাম থেকে নদীর ঝিনুক কিনে নিয়ে সংগ্রহ করেন এবং সেগুলো গাড়ি করে নিয়ে এসে সেখান থেকে চুন তৈরি করেন । এই চুন তৈরি করার কাজটিও বেশ খাটুনির । ২৪ ঘন্টা ধরে বড় বড় উনুনে পোড়ানো হয় । এরপর চুন তৈরি করার শেষে তাকে ছাঁকনি দিয়ে ছেঁকে আবার তাকে জল দিয়ে রেখে তিন ঘন্টা ঘোলাতে হয়। তারপর কাপড়ে ছেঁকে রাখার পর সেটি যখন আস্তে আস্তে জমতে শুরু করে তখন বিক্রির জন্য প্রস্তুত করা হয় এবং সেটিকে প্যাকেট করে গ্রামে গঞ্জে হাটে বাজারে বিক্রি করেন । এই চুন শুধুমাত্র পানে খাওয়ার জন্য বিক্রি হয় । কিন্তু বর্তমানে পাথরের চুন বাজারে ঢুকে যাওয়ায় তাদের ব্যবসা মার খেয়েছে, পাশাপাশি লাভের মুখ তারা খুব কমই দেখেছে বলে তারা জানান । সরকারি সহযোগিতা থাকার ফলে তাদের লক্ষ্মীর ভাঁড় পূর্ণ হচ্ছে বলে জানান তারা। তাই বাপ-ঠাকুরদার হাত ধরে বংশ পরম্পরায় চলে আসা তামলি সম্প্রদায়ের প্রাকৃতিক নিয়মে চুনপ্রস্তুত ব্যবসাকে টিকিয়ে রাখতে আজও কার্যত প্রাকৃতিক নিয়মে চুন প্রস্তুত করে চলেছেন ৫ টি পরিবারের সদস্যরা। তবে এই প্রাকৃতিক নিয়মের চুল প্রস্তুতের বিষয়টি যেমন লাভজনক তেমনি স্বাস্থ্যকর।

দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার সুস্বাদু মধু এবার গুজরাটে

2025-02-04

জয়দীপ মৈত্র, দক্ষিণ দিনাজপুর : ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত লাগোয়া দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার বুনিয়াদপুরের সুস্বাদু মধু গুজরাটে পাড়ি দিল। মূলত, জেলার বুনিয়াদপুরের বংশীহারী ও বুনিয়াদপুরের মধু ভিন রাজ্যের পাড়ি দিল। বংশীহারী ব্লক এবং বুনিয়াদপুর পুর এলাকার বিভিন্ন স্থানের মাঠের সর্ষে খেতগুলিতে গেলেই চোখে পড়বে সারিবদ্ধ করে রাখা বাক্স। বংশীহারী এবং বুনিয়াদপুরের বাগদুয়ার, জামার, জোড়দিঘি, সিহল, ডিটলহাট, করখা সর্বত্র একই ছবি। সোমবার সকালে এলাহাবাদ পঞ্চায়েতের জামারের এক মাঠে গিয়ে দেখা গেল, ডিটলের এক তরুণ ইশাহাক আলি অপু তাঁর কর্মচারীদের নিয়ে বাক্স থেকে মধু সংগ্রহ করছেন। তিনি জানান, ‘সর্ষে গাছে ফুল আসার আগে মধু সংগ্রহ করার লক্ষ্যে বাক্স পাততে হয়। এই বাক্সে মৌমাছি থাকে। তাদের খাবার হিসাবে চিনি দিতে হয়। মৌমাছিরা বাক্স থেকে বেড়িয়ে সর্ষেফুল থেকে মধু নিয়ে বাক্সে জমা করে। আমরা প্রতি সপ্তাহে একবার বাক্স থেকে মধু সংগ্রহ করি। আমি গত বছর থেকে এই ব্যবসায় নেমেছি।’ মুর্শিদাবাদ, নদিয়া এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার অনেক মধু ব্যবসায়ী আমাদের এলাকার বিভিন্ন মাঠে মধু সংগ্রহের উদ্দেশ্যে বাক্স পেতেছেন। এই বিপুল পরিমাণ মধু গুজরাটের এক ব্যবসায়ী আমাদের কাছ থেকে পাইকারি দরে কিনে নিয়ে যান। সারাবছর অন্য ব্যবসা করলেও এই শীতকালে মধু সংগহের ব্যবসা করে লাভের মুখ দেখছেন ব্যবসায়ীরা।

প্রত্যেক বছরের মতো এবছরেও বীরভূমের পুরন্দরপুরে ইউফোরিয়া যুব গোষ্ঠীর উদ্যোগে তৈরি হয়েছে ১৮ ফুটের মাতৃপ্রতিমা।

2025-02-03

প্রত্যেক বছরের মতো এবছরেও বীরভূমের পুরন্দরপুরে ইউফোরিয়া যুব গোষ্ঠীর উদ্যোগে তৈরি হয়েছে ১৮ ফুটের মাতৃপ্রতিমা। এবছর এই পুজো ষষ্ঠ বছরে পদার্পণ করেছে। পূজা কমিটি এর মুল উদ্যোগতা দেবরাজ সাহা বলেন ঠাকুরের কাছে মাথা নিচু ইউফোরিয়া সরস্বতী সবার উঁচু । এই লক্ষ্যে বিগত বছরের মতো এবছরও আমরা আয়োজন করেছি বড় সরস্বতী প্রতিমা । পূজা চারদিন বিভিন্ন দূরদূরান্ত থেকে মানুষের জমায়েত হয়। প্রত্যেক বছর আমরা সামাজিক কাজকর্ম করে থাকি এবছর আমরা আয়োজন করেছি Health View ডাইগোনেস্টিক এর সহযোগিতায় বিনামূল্যে রক্ত পরীক্ষা শিবির। আমাদের কোনো সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হয় না । এবছর রাজবেশে ইউফোরিয়ার রানী মা কে নিরঞ্জন করা হবে সঙ্গে থাকবে ব্যান্ড এবং আতসবাজি।

আজ সোমবার সরস্বতী পুজোর শুভ দিনে কোচবিহারের চেংরাবান্দায় উদ্বোধন করা হলো ওয়েস্ট বেঙ্গল মিডিয়া ফোরামের (West Bengal Media Forum) নতুন কার্যালয়।

2025-02-03

কোচবিহার ফেব্রুয়ারী ৩ - আজ সোমবার সরস্বতী পুজোর শুভ দিনে কোচবিহারের চেংরাবান্দায় উদ্বোধন করা হলো ওয়েস্ট বেঙ্গল মিডিয়া ফোরামের (West Bengal Media Forum) নতুন কার্যালয়। উত্তরবঙ্গের বিশেষ করে ডুয়ার্স অঞ্চলে সংবাদ জগতের বিকাশ ও ইতিবাচক তথ্য পরিবেশনের লক্ষ্যেই এই নতুন পদক্ষেপ নেওয়া হলো। এই নতুন কার্যালয় থেকে বিশেষ করে ডুয়ার্স অঞ্চল-সহ উত্তরবঙ্গের একটি বড় অংশে সংবাদ মাধ্যমের প্রতিনিধি বিশেষ করে ডিজিটাল মাধ্যমে সঙ্গে যুক্ত গণমাধ্যমের প্রতিনিধিদের একত্রিত করা ও গঠনমূলক সাংবাদিকতা ও শিল্পবান্ধব পরিবেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে মিডিয়া ফোরামের সদস্যরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন। এদিন এই কার্যালয়ের উদ্বোধন করেন পজেটিভ বার্তার এমডি মলয় পীট। সঙ্গে ছিলেন অল বেঙ্গল নার্সিং হোমস এন্ড হসপিটালস ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন এর রাজ্য জয়েন্ট সেক্রেটারি ও বীরভূম জেলা সম্পাদক

ব‍্যাঙ্গালোরতে গ‍্যাস সিলিণ্ডার বিস্ফোরণে মৃত‍্যু ঘটল অসমের বাসিন্দা গোলাপ কর্মকারের।

2024-12-11

সাহিন বাংলা নিউজ: ব‍্যাঙ্গালোরতে গ‍্যাস সিলিণ্ডার বিস্ফোরণে মৃত‍্যু ঘটল অসমের শ্রীভূমি( করিমগঞ্জ) জেলার পাথারকান্দির অসম ত্রিপুরা সীমান্তের কাঠালতলির বাসিন্দা গোলাপ কর্মকার। মঙ্গলবার রাতে মৃতদেহ বাড়িতে নিয়ে আসা হয়। রাতেই অন্তষ্টিক্রিয়া সম্পন্ন হয়। গত 2 ডিসেম্বর ব‍্যাঙ্গালোর চান্দাপুরে সিলিণ্ডার বিস্ফোরণ ঘটে। এতে ঘটনাস্থলে দুজন মারা যান। এবং আহত অবস্থায় গোলাপ কর্মকারকে সেখানকার একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবশেষে রবিবার হাসপাতালে মারা যায় সে। সেখানকার ডিভি ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তাদের সহযোগে গতকাল রাতে মৃতদেহ কাঠালতলিতে এসে পৌছায়। এতে গোটা এলাকার সব সম্প্রদায়ের মানুষ শোকাহত।*




Follow us on                  

About Us
Sahin Bangla, a pioneering digital platform, is revolutionizing the way citizens access news, information, and services.
Contact Us
Address : Cooch Behar, Cooch Behar
Call :+91 96413 64901
WhatsApp : +91 7797659493
Email : info@sahinbangla.com
Important Link
  • Disclaimer
  • Privacy Policy

  • Total Visitor : 595881